বর্তমানে নতুন
এন্ড্রয়েড
ব্যাবহারকারীদের
একটি কমন
সমস্যা হচ্ছে তার
মোবাইটি প্যাটার্ন
লক
হয়ে যায়
এবং সেটি আর
সে আনলক
করতে পারে না। তখন
তাকে বাধ্যতামূলক
দোকানে গিয়ে টাকা
দিয়ে সেই লক
খুলতে হয়। তবে খুব
সহজ কিছু
পদ্ধতিতে এই লক
খোলা যায়। আজ তাই
আপনারদের দেখাব।
প্রধানত
দুইটি পদ্ধতিতে এই
প্যাটের্ন লক বাইপাস
করা যায়।
প্রথম পদ্ধতি : এই
পদ্ধতিতে আপনি
আপনার গুগল
একাউন্ট
দিতে Pattern Lock
রিকভার
করতে পারবেন।
এজন্য
আপনার ডিভাইস এ
মাস্ট এবং মাস্ট
ইন্টারনেট কানেকশন
থাকতে হবে। এই
পদ্বতিতে রিকভার
করার জন্যে ৫ বার
ভুল
প্যাটার্ন দিন তারপর
একটি অপশন
আসবে এরকম– Forgot
Pattern? আসলে এটার
ভিতর যান
এবং আপনার জিমেইল
একাউন্ট এর
আইডি পাসওয়ার্ড
দিয়ে লগিন করুন।
তারপর
আপনাকে নতুন
প্যাটার্ন
দিতে বলবে এবং দিয়ে
ফেলুন। এটি খুব সহজ
মেথড এবং খুব দ্রুত
আপনি প্যাটার্ন লক
আনলক/রিকভার
করতে পারবেন
তবে ইন্টারনেট
কানেকশন
থাকতে হবে।
দ্বিতীয় পদ্ধতি :
অনেক সময় দেখা যায়
যে আপনার
ইন্টারনেট
কানেকশন থাকে না।
তখন আপনার
ডিভাইস
এ যদি ইন্টারনেট
কানেকশন
না থাকে তবে কি
করবেন?? তখন করার
কিছু নেই আপনার
ডিভাইসটি ফ্যাক্টরি
রিসেট দিতে হবে এই
পদ্ধতিতে।
তবে ডিভাইস এর
ভিতর
থেকে আমরা রিসেট
করতে পারি অনেকেই
কিন্তু রিকভারি মুড
থেকে অনেকেই
পারি না এমনকি জানি
ও
না কিভাবে করতে হয়।
তবে বলে রাখি রিসেট
করার পর আপনার
ডিভাইস এর সকল
অ্যাপ/
ডাটা মুছে যাবে এবং
ডিভাইস নতুন
ভাবে রিসেট
হয়ে আসবে যেমনটি
মার্কেট
থেকে কিনেছিলেন।
সুতরাং করতে চাইলে
নিচের পদ্ধতি দেখুন…
এজন্য প্রথমেই
আপনার
ডিভাইসটি বন্ধ
করুন।
কিভাবে বন্ধ
অথবা সুইচ অফ
করতে হয় তা নিশ্চয়
বলে দিতে হবে না।
এখন Volume up
+power
button অথবা Down
+power button
একসাথে প্রেস
করে সেট অন করুণ।
তবে বিভিন্ন
কোম্পানির ডিভাইস
এ
এই পদ্ধতি বিভিন্ন
রকম হয়ে থাকে তাই
এটা কাজ
না করলে নিচের
যেকোনো একটা কাজ
করবে… ১. Volume
Down + Volume Up +
Power button. ২.
Volume Down + Power
button. ৩. Volume Up +
Power button. ৪.
Volume Up + Home +
Power button. ৫.
Volume Up + Camera
button. ৬. Home +
Camera button. ৭.
Home
+ Power button
উপরের
যেকোনো একটা
কম্বিনেশন কাজ
করবেই আপনার
ডিভাইস এ । তারপর
আপনি রিকভারি মুড
এ
প্রবেশ করবেন এই
পদ্ধতিতে। প্রবেশ
করার পর Wipe Data /
Factory Reset নামক
একটা অপশন
দেখতে পারবেন
এবং অপশন
টি সিলেক্ট করার
জন্যে ডিভাইস এর
ভলিউম বাটন ইউজ
করুন উপর
নিচে নামতে এবং
পাওয়ার বাটন
দিয়ে সিলেক্ট
অথবা ওকে চাপতে
পারবেন। এই অপশন
টি সিলেক্ট করার
পর
আপনার
কাছে কনফারমেশন
পারমিশন
চাওয়া হবে এবং ইয়েস
দিয়ে দিন
তাহলে আপনার
ডিভাইস
টি ফ্যাক্টরি রিসেট
হবে এবং নতুন
করে ডিভাইস চালু
হবে এতে করে আপনার
দেয়া পূর্বের সকল
পাসওয়ার্ড
মুছে যাবে এমনকি সব
ডাটা ও ।
গরু ছাগলের মতো সবকিছু কপি পেস্ট করি না। বস্তুনিষ্ঠ লেখা কপি পেস্ট করি।
বুধবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১৪
এন্ড্রয়েড ফোনের প্যাটার্ন লক খুলুন খুব সহজে
জেনে নিন আপনার কম্পিউটার কীবোর্ডের ১২টি ফাংশন কী এর প্রত্যেকটির ভিন্ন ভিন্ন কাজ
নিউজ ডেস্ক : আমাদের কম্পিউটার
কিবোর্ডের উপরের দিকে F1, F2, F3
এরকম F12 পর্যন্ত ১২টি ফাংশন
কী দেয়া আছে। এর প্রত্যেকটির
একেকটি ভিন্ন ভিন্ন কাজ রয়েছে।
তাহলে
চলুন এক এক করে দেখে নেই
কাজগুলোঃ
F1 : এই বাটন টি যেকোণ
প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার এর জন্য
সাহায্যকারী কি হিসেবে ব্যবহৃত
হয় অর্থাৎ আপনার একটিভ উইন্ডোর জন্য
হেল্প পেইজ দেখতে হলে এই বাটন
টি প্রেস করলেই চলবে।
F2 : Rename করার জন্য শর্টকাট
কি হিসেবে এটি ব্যবহার করা হয়।
আপনার সিলেক্টকৃত কোণ ফাইল
বা ফোল্ডার রিনেম
করতে সিমপ্লি এই বাটন টি প্রেস
করুন। তাছাড়াAlt+Ctrl+F2
চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের
একটি নতুন ডকুমেন্ট খুলতে পারেন।
আরেকটা ব্যবহার আমি করে থাকি আর
তা হল ওয়ার্ডের প্রিন্ট প্রিভিউ
দেখা। তার জন্য জাস্ট ctrl+f2 চাপুন।
F3 : শুধুমাত্র F3 চেপে আপনি যেকোন
প্রোগ্রামের বা ডকুমেন্টের সার্চ
অপশান আনতে পারেন। ঠিক
এখুনি কি টা চাপুন তো আর দেখুন
আপনার ব্রাউজারের ডান
পাশে একটি সার্চ বক্স এসেছে! shift
+f3 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের
কোণ শব্দকে বড় হাতের থেকে ছোট
হাতের বা ছোট হাতের থেকে বড়
হাতের করতে পারেন।
এবং সিলেক্টকৃত ঐ শব্দটির প্রথম অক্ষর
যদি বড় হাতের রাখতে চান
তাহলেও shift+f3 চাপুন।
F4 : এই বাটন দিয়ে মাইক্রোসফট
ওয়ার্ডের last action performed Repeat
করা যায়। Alt+F4 চেপে সক্রিয় সব
প্রোগ্রাম বন্ধ করা হয়। Ctrl+F4
চেপে সক্রিয় সব উইন্ডো বন্ধ
করা হয়।
F5 : মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে find,
replace, go to উইন্ডো খোলা হয় এই
বাটন চেপে। যেকোণ পেজ
রিফ্রেশ করতে এই পেজটিই ব্যবহার
করা হয়। পাওয়ার পয়েন্টে স্লাইড
শো শুরু করা এবং বন্ধ করার জন্য এই
বাটন টি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
F6 : মাউসের কার্সরকে ইন্টারনেট
ব্রাউজারের
অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে এটি চাপলেই
হবে , এখুনি ট্রাই করে দেখুন। Ctrl
+Shift+F6 চেপে ওয়ার্ডের সক্রিয়
ডকুমেন্ট রেখে অন্যটি ব্যবহার
করা যায়।
F7 : চেপে মাইক্রোসফট
ওয়ার্ডে লেখা বানান ও গ্রামার
ঠিক করা হয়
এবং মজিলা ফায়ারফক্সের Creat
browsing চালু করা হয়। Shift+F7
চেপে মাইক্রোসফট
ওয়ার্ডে কোনো নির্বাচিত
শব্দের প্রতিশব্দ, বিপরীত শব্দ,
শব্দের ধরন ইত্যাদি জানার
ডিকশনারি চালু করা হয়।
F8 : বিশেষ করে কম্পিউটার চালু
করার সময় এই কি টী কাজে লাগে ।
সাধারণত উইন্ডোজ safe mood এ চালু
করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
F9 : Quark 5.0 এর মেজারমেন্ট টুলবার
ওপেন করার জন্য এটী কাজে লাগে।
F10 : এটি চেপে ইন্টারনেট
ব্রাউজার
বা কোনো খোলা উইন্ডোর
মেনুবার নির্বাচন করা হয়। Shift+F10
চেপে কোনো নির্বাচিত
লেখা বা লিংক বা ছবির ওপর
মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক
করার কাজ করা হয়।
F11 : আপনার সামনে স্ক্রিনে একটিভ
উইন্ডোটিকে ফুলস্ক্রিন
করতে এবং নরমাল মুডে আনতে এই
বাটন টি চাপলেই হবে।
এখুনি দেখুন।
F12 : F12 চেপে মাইক্রোসফট
ওয়ার্ডের Save as উইন্ডো ওপেন
করা হয়। Shift+F12
চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্ট
সেভ করা হয়। এবং Ctrl+Shift+F12
চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্ট
প্রিন্ট করা হয়। বর্তমান
সময়ে আমরা সবাই অভ্র ব্যবহার
করে থাকি, আর এই অভ্র সফটওয়্যার এ
বাংলা এবং ইংরেজী ভাষা সিলেক্ট
বা পরিবর্তন করতে ডেস্কটপ
কম্পিউটারে শুধু মাত্র f12
চেপে বাংলা থেকে ইংরেজীতে বা ইংরেজী থেকে বাংলা মুড
এ আসতে পারবেন। আর ল্যাপটপে fn
+f12 চাপতে হবে।
**ক্রিকেট নিয়ে কিছু সেইরম মজার তথ্য** না পড়লে পুরা মিস
>>শহীদ AFRIDI একদিনের আন্তর্জাতিক
ক্রিকেটে তার দ্রুততম শতকটি করেছিলেন ওয়াকার
ইউনিস কাছ থেকে ধার করা ব্যাট ব্যবহার করে।
>>ক্রিকেট খেলায় ৪২টি ক্রিকেট আইন আছে,
যা বিভিন্ন প্রধান ক্রিকেট খেলুড়ে দেশের
সাথে আলোচনার ভিত্তিতে প্রণয়ন
করেছে মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাব। ক্রিকেটের
আইনে সময় এর সাথে সাথে সব কিছুর পরিবর্ত
হয়েছে শুধুমাত্র একটি আইনের পরিবর্তন হয় নাই
সেইটা হলো ক্রিকেট পিচের দৈর্ঘ্যের ..
>>টিভি আম্পায়ার প্রথম কাকে আউট দিয়েছিলেন
জানেন? কিংবদন্তী ব্যাটসম্যান শচীন
টেন্ডুলকারকে! আর সেই রানআউট কে করেছিলো ?
বিশ্ব বিখ্যাত ফিল্ডার জন্টি রোডস। একই টেস্ট
ম্যাচে পরবর্তী দিনে জন্টি রোডসকে আম্পায়ার
রান আউট দেয় আর সেই রান আউট করে ছিলেন
কাকতালীয় হলেও ঘটনা সত্য সে হল শচীন
টেন্ডুলকার।
>>১৯৭৫ সালের ওয়ার্ল্ড কাপের একদিনের
আন্তর্জাতিক ম্যাচে ভারতের বিখ্যাত ব্যাটসম্যান
সুনীল গাওস্কর প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে ৬০
ওভার ব্যাট করে রান করেছিলেন মাএ ৩৬ রান। সেই
ম্যাচে ভারত ২০৩ রানে বিশাল
ব্যাবধানে হেরেছিল।
>>ক্রিকেট খেলায় ৪২টি ক্রিকেট আইন আছে,
যা বিভিন্ন প্রধান ক্রিকেট খেলুড়ে দেশের
সাথে আলোচনার ভিত্তিতে প্রণয়ন
করেছে মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাব। ক্রিকেটের
আইনে সময় এর সাথে সাথে সব কিছুর পরিবর্ত
হয়েছে শুধুমাত্র একটি আইনের পরিবর্তন হয় নাই
সেইটা হলো ক্রিকেট পিচের দৈর্ঘ্যের ..
�১৮৮৭ সালে প্রথম টেস্ট
ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া ইংল্যান্ডকে হারায় ৪৫
রানে ঠিক ১০০ বছর পর ১০০ তম টেস্ট
ম্যাচে ইংল্যান্ড অস্ট্রেলিয়াকে হারায় ৪৫ রানে।
�গ্রাহাম ম্যাক কেনজি ছিলেন একদিনের
আন্তজাতিক ক্রিকেটের প্রথম বোলা। আর জিঅফ
বয়কট ছিলেন একদিনের ক্রিকেটের প্রথম
ব্যাটসম্যান।
�বেসবলকে বলা হয় আমেরিকান ক্রিকেট। ক্রিকেট
আর বেসবল খেলা অনেকটা একই রকম তবে সামান্য
কিছৃ পার্থক্য আছে যেমন ক্রিকেট খেলোয়ার ১১
জন হয় আর বেসবলে ৯ জন । ক্রিকেট
খেলা সাধারণত হয় দুই ইনিংসের অন্য দিকে বেসবল
খেলা হয় নয় ইনিংসের।
�মুত্তিয়া মুরালিধরন এখন পর্যন্ত একমাএ
খেলোয়ার যে একদিনের আর্ন্তজাতিক
ক্রিকেটে এক ইনিংসে ৯ উকেট পেয়েছিল ৫১ রান
খরচ করে। অন্য দিকে টেষ্ট ক্রিকেটে ১৯৫৬ সালের
২৬ জুলাই এক টেষ্ট ম্যাচে দুই ইনিংসে ১৯ উকেট
পেয়েছিল ইংল্যান্ডের স্পিন বলার জীম লেকার ।
তিনি দুই ইনিংসে ৬৮ ওভার বল করে মাএ ৯০ রান
দিয়ে ১৯ উকেট পেয়েছিলন। যার গড় ছিল পার
ওভার ১.৩২, এই ৬৮ ওভারের মধ্যে তিনি ২৭ ওভার
মেডেন নিয়ে ছিলেন।
�ক্রিকেটের সবচেয়ে দীর্ঘতম ম্যাচ হল ১৯৩৯
সালের ইংল্যান্ড এবং দক্ষিণ
আফ্রিকা মধ্যে খেলা ম্যাচটি ১৪ দিন খেলার পর
এই ম্যাচটি শেষ টাই হিসাবে ঘোষনা করা হয়।
�অস্ট্রেলিয়ার এলান ডেভিডসন প্রথম খেলোয়ার
যে এক টেষ্ট ম্যাচে ব্যাটিং করে ১০০ রান
এবং বোলিং করে ১০ উইকেট পেয়েছিল।
�অস্ট্রেলিয়ার এলান ডেভিডসন প্রথম খেলোয়ার
যে এক টেষ্ট ম্যাচে ব্যাটিং করে ১০০ রান
এবং বোলিং করে ১০ উইকেট পেয়েছিল।
� আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত টেস্ট ম্যাচটি অনুষ্ঠিত
হয় ১৯৭৭ সালের ১৭ মার্চ। ক্রিকেটে বিভিন্ন
সময়ে অনেক রাজনৈতিক বিতর্ক উঠেছে, যার
মধ্যে সবচেয়ে কুখ্যাত হচ্ছে ব্যাসিল
ডি’অলিভিয়েরা কেলেঙ্কারি যার জন্য দক্ষিণ
আফ্রিকাকে বিশ্ব ক্রিকেট থেকে বহিস্কার
করা হয়েছিল। এছাড়া অস্ট্রেলিয়ার
বিরুদ্ধে ইংল্যান্ডের বডিলাইন সিরিজ
এবং অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের
মধ্যে আন্ডারআর্ম বোলিং-এর
ঘটনা উল্লেখযোগ্য।
নীল আর্মস্ট্রংয়ের চরম মজার একটি সত্য ঘটনা পোস্ট করলাম।
১৯৬৯ সালে নীল
আর্মসট্রং সর্বপ্রথম
চাঁদে পা রেখেছিলেন,
এটা আমরা সবাই জানি।
তো তিনি চাঁদের
বুকে দাঁড়িয়ে দ্বিতীয়
যে বাক্যটি উচ্চারণ
করছিলেন, সেটা হল,
গূডলাক
মিস্টার গোরাস্কি।
কেউ এই কথার অর্থ
বুঝতে পারেনি। এই
কথাটির অর্থ
জানতে চাইলেই
তিনি মুচকি
হেসে কথাটা এড়িয়ে যে
অবশেষে দীর্ঘ ২৬বছর পর
১৯৯৫
সালে তিনি কথাটির
অর্থ
সবাইকে বলেন।
নীল তখন ছোট,
তিনি বন্ধুদের
সাথে বেসবল
খেলছিলেন।
হঠাৎ তাদের খেলার
বলটা উড়ে
গিয়ে পড়ল
গোরাস্কি নামে তার এক
প্রতিবেশীর বাড়ির
বেডরুমের ভেতরে।
নীল গেলেন বল আনতে। বল
আনতে বাড়ির
ভেতরে গিয়ে দেখেন, ঐ
বাড়ির কর্তা তার
স্ত্রীকে কাছে পেতে চা
কিন্তু স্ত্রী কিছুতেই
কাছে আসছেনা। তো,
কিশোর কৌতুহলী নীল চুপ
করে
সে দৃশ্য দেখতে লাগলেন।
স্বামী-স্ত্রীর টানা
হেঁচড়ার মাঝে একসময়
স্ত্রী রেগে গিয়ে
স্বামীকে বললঃ আমাদের
পাশের বাড়ির
ছেলেটা (নীল) যেদিন
চাঁদে যাবে, একমাত্র
সেদিনই
তুমি আমাকে ছুঁতে পারবে।
ঐ কথাটা নীল
ভোলেননি।
তাই চাঁদের বুকে
দাঁড়িয়ে নীল
গোরাস্কিকে গূডলাক
জানিয়েছিল,
কারণ তার স্ত্রীর
দেওয়া শর্ত আজ পূরণ
হয়েছে,
এবার গোরাস্কি তার
স্ত্রীকে কাছে পেতে পা
সবজান্তা গূগলে Good luck,
Mr. Gorasky লিখে সার্চ
দিলেই
ঘটনাটা পেয়ে যাবেন।
খুব মজার ঘটনা, তাই না?
ঘুম এবং স্বপ্ন নিয়ে মজার কিছু তথ্য (বোবায় ধরা কী?)
গতকাল গভীর রাত পর্যন্ত
জেগে থেকে এই
ব্যাপারটা নিয়ে লেখার
চিন্তা মাথায় আসলো।
লেখাটি ঘুম এবং স্বপ্নের
সম্পর্ক নিয়ে। ঘুমে প্রায়ই
আমরা উপর
থেকে নিচে পড়ে যাওয়া
অনুভূতি পাই। আবার
কখনো চোখ
খোলা রেখেও এক চুল
পরিমাণ নড়তে পারিনা।
কেন? কী তার
বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ?
তা নিয়েই আমার এই
লেখা।
তবে একটা কথা বলে রাখি
এগুলো কোন রোগ নয়।
মানুষমাত্রই এসবের শিকার
হতে পারে। আমার
নিজেরও এমন
অভিজ্ঞতা হয়েছে অনেকব
যেমন ধরুন, আপনি আজ
রাতে ঘুমাতে গেলেন।
বাতি নিভালেন, নরম
বিছানায়
গা এলিয়ে দিলেন, অল্প
অল্প তন্দ্রা লেগে এলো,
হঠাৎ
মনে হলো আপনি অনেক উঁচু
থেকে নিচে পড়ে যাচ্ছে
চমকে উঠলেন আপনি।
আবার হয়তো একদিন
আপনি আরামেই
ঘুমিয়ে আছেন। হটাৎ
ঘুমটা একটু
পাতলা হতে লাগলো আর
আপনি দেখলেন
যে আপনি আর
নড়াচড়া করতে পারছেন
না। মনে হচ্ছে কেউ
আপনাকে চেপে ধরে আছ
আপনি প্রাণপনে চিৎকার
করতে চাইছেন কিন্তু
গলা দিয়ে কোন স্বর বের
হচ্ছে না। একটা আঙ্গুলও
নাড়াতে পারছেন
না আপনি। কিছুক্ষন পর
ঘেমে উঠলেন আপনি।
স্বাভাবিক
হয়ে আসলো সবকিছু।
উপরের
ঘটনা দুটি জীবনে ঘটেনি
মানুষ পাওয়া বিরল।
তাছাড়াও আপনি ঘুমের
মধ্যে কথা বলা, নাক
ডাকা বা ঘুমের
মধ্যে হাঁটা কোনটাই
বিচিত্র না! এবার আসুন
জেনে নেই কেন এমন হয়
এবং কি তার সম্ভাব্য
প্রতিকার-
ঘটনাঃ ১
ঘুমের মধ্যে হঠাৎ
মনে হওয়া যে উপর
থেকে পড়ে যাচ্ছি।
একে বলে হাইপনিক জার্ক,
আমরা যখন
ঘুমিয়ে পড়ি আমাদের
সারা শরীর
আস্তে আস্তে নিস্তেজ
হয়ে আসে,
মাংসপেশীগুলো শিথিল
হয়ে আসে। কিন্তু
যদি সে সময়ের
মধ্যে আমাদের মস্তিষ্ক
ততটুকু বুঝতে না পারে;
তবে মস্তিষ্ক একে উপর
থেকে শরীর
পড়ে যাচ্ছে এটা বলে ভুল
করে।
সেক্ষেত্রে সে শরীরকে স
জন্য প্রস্তুত করতে হাত-
পা শক্ত করে ফেলে সেই
আসন্ন বিপদ
মোকাবেলা করার জন্য
আর তাই
আমরা ঝাকি দিয়ে হঠাৎ
ঘুম থেকে জেগে উঠি।
এটা আসলে সে সময় হয়
যদি আমরা অনেক্ষণ
ধরে ব্রেনকে রেস্ট
না দেই, যেমন আমি ঘুমের
ঘোরেও ফরেক্সের প্রাইস
দেখি (!) আবার
অনেকে একটানা পড়াশুনা
কাজ বা কোন গবেষনা...
এসব
চিন্তা করতে করতে ঘুমিয়
ঘুমের মধ্যেও যদি এসব
চিন্তা চলতে থাকে তবে
এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনাঃ ২
বোবায় ধরার
ঘটনাকে অনেকে কুসংস্কা
বশে বোবা ভুত ধরা বলে।
যার আসল নাম হচ্ছে স্লিপ
প্যারালাইসিস
কিংবা Hypnagogic
Paralysis. এ
ক্ষেত্রে ব্যাপারটা একটু
জটিল আর
তা হচ্ছে আমাদের ঘুমের
মধ্যে ২টা পর্যায় আছে।
এগুলো হল-
১) REM (Rapid Eye Movement)
২) Non REM (Non Rapid Eye
Movement)
ঘুমের মধ্যে এ দুটি চক্র
পর্যায়ক্রমে আমাদের
মাঝে আসে।
আমরা যদি কোনভাবে এই
দুটি চক্রের মাঝের
সময়ে জেগে যাই তখনই
আমরা হাত-
পা নাড়তে পারি না।
কথা বলতে পারিনা।
কারন আমাদের এই
জেগে থাকা সম্পর্কে মস্ত
অবগত থাকেনা। এ
ক্ষেত্রে কয়েক সেকেন্ড
থেকে কয়েক মিনিট
পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
আর ঘুমে এই সময়কে অনেক
সময় বলে মনে হতে পারে।
আমরা জেগে আছি জানত
আমরা হাত-
পা স্বাভাবিক
ভাবে নাড়তে পারি এবং জেগে
এসময় কোনকিছু
দেখা বা গন্ধ
পাওয়া অস্বাভাবিক কিছু
না, কারণ মস্তিষ্ক তখন
স্বপ্নের মত দৃশ্য তৈরি করে।
এই সুযোগে অনেকে ভুত-
প্রেতও
দেখে ফেলতে পারেন!
কারন মস্তিষ্কে যখন
অক্সিজেনের অভাব হয় তখন
আমরা অস্বাভাবিক অনেক
কিছু দেখতে পাই।
লেখকঃ সাজ্জাদ
হোসেইন
জিরো ২ ইনফিনিটি।
জানা অজানা
## একজন সুস্থ মানুষ গড়ে সাত মিনিটের
মধ্যে ঘুমিয়ে পড়তে পারে।
## হাঁসের ডাক কখনও প্রতিফলিত হয় না। কেন হয়
না, এর কারণ এখনও অজানা।
## আপনাকে একটি বদ্ধ ঘরে বন্ধ
করে দেয়া হলে আপনি অক্সিজেনের
অভাবে মারা যাওয়ার আগে কার্বনডাইঅক্সাইড
পয়জনিংয়ের ফলে মারা যাবেন।
## বৃষ্টির ফোঁটার গতি ঘন্টায় ১৭ মাইল।
## আমরা আয়নায় যেই ছবিটা দেখি সেটি ১০
ন্যানো সেকেন্ড অতীতের ছবি।
## যদি দু'টুকরো ধাতুকে মহাশূন্যে একে অপরের
সংস্পর্শে আনা হয়,
তবে তারা স্থায়ীভাবে জোড়া লেগে যায়।
## মহাশূন্যে নভোচারীদের হৃৎপিন্ড ছোট হয়ে যায়
এবং তারা কিছুটা লম্বাও হয়ে যায়।
## শনি(স্যাটার্ন) কে যদি পানিতে রাখা হয়,
তবে এটি ভাসতে থাকবে।
## এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে বড় নক্ষত্র
'ভিভাই ক্যানিস মেজোরিস'। এটি সূর্যের
থেকে একশ কোটি গুন বড়।
## আলোক রশ্মি প্রতি সেকেন্ডে সাতবার
পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করতে পারে।
## আমাদের সবচেয়ে কাছের নক্ষত্রটির নাম হল
'বিটেল জিউস'।
## 'মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি' ১,৮০,০০০ কিমি/ঘন্টায়
'এন্ড্রোমিডা গ্যালাক্সি'র দিকে ছুটে চলেছে।
আজ থেকে ৫-৬ শত কোটি বছর পরে এন্ড্রোমিডা'র
সাথে আমাদের গ্যালাক্সির সংঘর্ষ হবে।
এরপরে 'Milkomeda Galaxy' নামে নতুন
গ্যালাক্সি সৃষ্টি হবে।
## পৃথিবীর বায়ুমন্ডলের ভর প্রায় 5×10^18 কেজি।
## চন্দ্র পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।
## পৃথিবীর ওজন প্রায় ৬,৫৮৮,০০০,০০০,০
০০,০০০,০০০ টন।
## মানুষের চুলের প্রস্থ ৩০০ মাইক্রোমিটার। (১
মাইক্রোমিটার= ১ মিটারের ১০ লক্ষ ভাগের
১ভাগ)।
## সিএনজি (কমপ্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস)
যা রুপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস। এ
গ্যাসকে ২৯০০-৩৬০০ পিএসআই চাপের
মাধ্যমে তরলে পরিণত
করে সিলিন্ডারে জমা রাখা হয়।
## আট বছর সাত মাস ছয় দিন ক্রমাগত চিৎকার করুন।
এর ফলে যে পরিমাণ শব্দশক্তি উৎপন্ন হবে, সেই
শব্দশক্তি তাপশক্তিতে রুপান্তর করে এক কাপ
চা গরম করা যাবে।
## বিশ্বের
সবচেয়ে দ্রুতগামী পাখি হচ্ছে 'পেরেগ্রিন
ফ্যালকন'। এদের গতিবেগ ঘন্টায় সর্ব্বোচ্চ ৩৯০
কিলোমিটার।
## ভূচর প্রানীদের
মধ্যে সবচেয়ে দ্রুতগামী 'চিতা'র গতিবেগ ঘন্টায়
৭০ কিলোমিটার শুন্য থেকে তুলতে মাত্র তিন
শেকেণ্ড সময় নেয়।
## মস্তিষ্কের বৃদ্ধি শেষ হয় ১৮ বছর বয়সে।
## 'টেরেন্টিউলা' নামের ভয়ানক মাকড়সা দুই
বছরের বেশি সময় না খেয়ে থাকতে পারে।
## আর্মাডিলো, অপসাম ও স্লথ এই
তিনটি প্রানী জীবনের ৮০ ভাগ সময় ঘুমিয়েই
কাটায়।
## সবচেয়ে বেশি সময় উড়ে বিশ্বরেকর্ড
করতে একটি মুরগি উড়েছিল ১৩ সেকেন্ড।
## উটপাখির মস্তিষ্কের চেয়ে চোখ বড়।
## জল স্থল মিলিয়ে সবচেয়ে বড় ডিম
পারে হাংগর(Shark)।
## বছরে এক হাজারের
বেশি পাখি মারা পড়ে জানালায় ধাক্কা খেয়ে।
## পৃথিবীর ২০ শতাংশের বেশি অক্সিজেন
ব্রাজিলের আমাজন বনে সৃষ্টি হয়।
@@আমার ডায়েরি থেকে সংগৃহীত।।
কিছু প্রশ্ন ও আপনার উত্তর
নিচে ৪টা প্রশ্নের
সাথে একটা বোনাস প্রশ্ন
দেওয়া হলো ।
আপনাকে সবগুলো প্রশ্নের
তাৎক্ষনিক
উত্তর দিতে হবে ; উত্তর
ভাবতে বেশী সময়
নেওয়া চলবেনা । ঠিক আছে? চলুন
দেখা যাক
আপনি কতটা বুদ্ধিমান/বুদ্ধিমতি !
রেডি??গো..!!
* ১ম প্রশ্নঃ আপনি একটা দৌড়
প্রতিযোগিতায় অংশ
নিয়েছেন । আপনি এইমাত্র
২য়স্থানে থাকা প্রতিযোগীকে ওভারটেক
করলেন ।এখন
আপনি কোন পজিশনে আছেন?
"
"
"
"
"
যদি আপনি উত্তর দিয়ে থাকেন
আপনি ১মপজিশনে,
উত্তরটা ভুল!
যদি আপনি ২য়স্থানে থাকা প্রতিযোগীকে ওভারটেক
করেন,তাহলে আপনি তার
পজিশনেই থাকবেন ।
তাইআপনি ‘২য়’ !! আচ্ছা, এবার
কনফিডেন্টলি পরেরপ্রশ্নে চলুন ।
১ম প্রশ্নের উত্তর
দিতে যে সময় নিয়েছিলেন, ২য়
টার উত্তর
দিতে আরো কম সময় নিন ।
* ২য়
প্রশ্নঃ যদি আপনি শেষস্থানে থাকা প্রতিযোগীকে ওভারট
করেন,তাহলে আপনি কত নম্বর
পজিশনে থাকবেন?~
"
"
"
"
"
উত্তরঃ যদি আপনার উত্তর হয়
‘পেছন থেকে ২য়’ ,
তাহলে আপনি দ্বিতীয় বারের
মতো ভুল করলেন ! একটু
ভাবুন তো, লাস্ট পজিশনের
প্রতিযোগীকে ওভারটেক
করা কি সম্ভব?!
ইশশ..এবারো একটা ঝামেলা পাকিয়ে ফেললেন!
*৩য়প্রশ্নঃ এক্সট্রিমলি ট্রিকি গাণিতিক
প্রবলেম!
নোটঃ এই প্রশ্নের উত্তর দিতে শুধু
আপনার ব্রেইনটাই
ব্যবহার করুন ; কোন কাগজ-
কলমঅথবা ক্যালকুলেটর
ব্যবহার করবেন না ।মনে মনে ১০০০
সংখ্যাটি ভাবুন
এবং এর সাথে ৪০ যোগকরুন । এখন
আরো ১০০০ যোগ
করুন । এবারআরো ৩০ যোগ করুন ।
আবারো ১০০০ যোগ
করুন ।এর সাথে আরো ২০ যোগ করুন ।
শেষবারেরমতো ১০০০ যোগ করুন
এবং এর
সাথে আরো ১০ যোগদিন ।
"
"
"
"
"
যোগফল কত হলো?
৫০০০? সঠিক উত্তরহলো ৪১০০ ।
বিশ্বাস
না হলে ক্যালকুলেটর ব্যবহার
করে দেখুন! আজকের
দিনটা সম্ভবত আপনার জন্যনা , তাই
নয় কি?
হয়তো শেষ প্রশ্নটার সঠিক
উত্তরদিতে পারবেন ....
সম্ভবত ....
*৪র্থ প্রশ্নঃ মেরি’রবাবার
৫টা মেয়ে: ১. Nana, ২.
Nene, ৩. Nini, ৪.Nono ৫ম মেয়ের নাম
কি?~
"
"
"
"
"
~আপনি কি উত্তর দিয়েছেন,
‘Nunu’?না না না...!
আবারো ভুল উত্তর । ৫ম জনের নাম
মেরি ।
প্রশ্নটা আবার পড়ে দেখুন!
ওকে, এবারবোনাস রাউন্ড:
একটা বোবা লোক
দোকানে গেলটুথ ব্রাশ কিনতে ।
সে ব্রাশ করার মত
অঙ্গভঙ্গি করে বুঝিয়ে দিলো যে সে ব্রাশ
কিনতে চায়।
দোকানি তাকে একটা ব্রাশ
দিলো ;
সে ব্রাশকিনে বাড়ি চলে আসলো।
এবার একটা অন্ধ
লোক ঐএকই
দোকানে আসলো একজোড়া সানগ্লাস
কিনতে ।সে কি চায় এবার
সে দোকানিকে এটা কিভাবে বুঝাবে?
~
"
"
"
"
"
নরমাল!
সে মুখ খুলে দোকানির
কাছে সানগ্লাসচাইবে ....
আপনার
মতোই..! **সন্দেহ নাই আপনি অনেক
বুদ্ধিমান ; দেখুন
তো আপনার স্মার্টফ্রেন্ডর
া কয়টা সঠিক উত্তর
দিতেপারে ♬
♣♣ collected♣♣
কিছু বাণী 3
◊ নিজেকে কখনই অন্য
কারো সাথে তুলনা করবেনা,
যদি তুমি তা করো তবে তুমি নিজেকে
অপমান
করলে | বিল গেটস
◊ যে মানুষ সবার সাথে তাল
মিলিয়ে চলে সে মানুষ
ব্যাক্তিত্বহীন
◊ সফলতা কখনও কোন গন্তব্য নয়,
একটি যাত্রা মাত্র
◊ যে অন্যকে কষ্ট দিতে পারে না,
সে নিজেই
বেশি কষ্ট পায়
◊ দামী পোষাকের চেয়ে পরিষ্কার
পোষাক অধিক
সম্মানজনক
◊ লোকেরা গুণকীর্তন
করলে নিজেকে গুণী ভেবো না,
কেননা লোকের কথায়
কয়লা সোনা হয় ন
◊ একটি সুন্দর মুখের কুৎসিত কথার
চেয়ে একটি কুৎসিত মুখের মধুর
কথা অধিকতর সুন্দর
◊ পরিবর্তন ছাড়া আর কিছুই
স্থায়ী নয়
◊ উচ্চাশা যেখানে শেষ হয়, সেখান
থেকেই শান্তির
শুরু হয়
◊ স্বপ্ন সেটা নয় যা মানুষ ঘুমিয়ে দেখে,
স্বপ্ন
সেটাই যা পূরণের
প্রত্যাশা মানুষকে ঘুমাতে দেয়না
♦ কাউকে খুব বেশি ভালবাসা,খুব
বেশি কষ্টের।
আকাশের আরেক নাম শুন্যতা।
ভালবাসা যদি আকাশের মত বিশাল
হয় তাহলে সেই ভালবাসায়
শুন্যতা ছাড়া আর কিছুই পাওয়া যায়
না..............!
♦ যতটা সহজে কাউকে ভুল বোঝা যায়
ততটা সহজে কাউকে ভুলে থাকা যায়
ন া।
♦ ছোট ছোট স্বপ্নগুলোর পূরণ হবার
সম্ভাবনা খুব বেশি থাকে ।
♦ সত্য-মিথ্যার খোঁজ কেউ করেনা।
সবাই শুধু সত্য আর মিথ্যার
মধ্যে নিজের নিজেকে খোঁজে ।
♦ ভালবাসতে তো সবাই পারে,কিন্ত
ভালবেসে অপেক্ষা করতে পারে কয়জন?
♦ ভাল ছেলেদের জন্য মেয়েদের
মনে প্রেম
জাগেনা,যেটা জাগে সেটা হচ্ছে সহ
ানুভূতি ।---- হুমায়ন আহমেদ
♦ আমার কাছে তোমার মুল্য অনেক
বেশি, তাই আমায়
মূল্যহীন ভাবো। যে দিন তোমার
কাছে অন্য কেউ
হবে মুল্যবান, সে দিন হবে তার
কাছে মূল্যহীন।
সে দিন বুঝবে মুল্য হীনতার
ব্যথা কতো বেদনার।--- হুমায়ুন
আহমদ
♦ আপনি যখন
কাঊকে নিঃসন্দেহে বিশ্বাস
করবেন, বিনিময়ে দুইটার
একটা পেতে পারেনঃ--
হয়তো মানুষটি সারাজীবনের জন্য
আপনার হয়ে থাকবে ,
নয়তোবা আপনি সারাজীবনের জন্য
একটা শিক্ষা পাবেন ।
♦ ধনীদের মেধা লাগেনা টাকাতেই
সব পেয়ে যায় । গরীবের
টাকা লাগেনা কারণ ওদের
মেধা আছে । কিন্তু মধ্যবিত্তের
না আছে মেধা,না আছে টাকা ।
মাঝে মাঝে দুঃসময় আসা ভালো,
এতে অন্তত সুসময়ের
মাছিগুলোকে আলাদা করা যায়